স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৩য় পর্ব - BD FX Team

Hot

Post Top Ad

Thursday, March 30, 2017

স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৩য় পর্ব

আমরা স্ক্যাল্পাররা সবচেয়ে দুশ্চিন্তায় পরি তা হল কোন পেয়ারে স্ক্যাল্পিং করা উচিত তা ঠিক করা নিয়ে। স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায়ের ২য় পোস্টে সে বিষয়ে আলোচনা করার চেষ্টা করেছি কোন কারেন্সি পেয়ারগুলো স্ক্যাল্পিংয়ের জন্য ভালো। পরবর্তী যেই সমস্যাটি আসে তা হল টাইম ফ্রেম নির্বাচন করা। ভিন্ন ভিন্ন টাইম ফ্রেম অ্যানালাইসিস করলে ভিন্ন সিগনাল পাওয়া যায়, কিন্তু কোনটি অনুসরণ করা উচিত? আনাল্যসিসের জন্য কোন টাইম ফ্রেম সেরা? চিন্তিত হওয়ার কারণ নেই। আপনি একা নন, চলুন একসাথে খুঁজে বের করি।


টাইমফ্রেম নির্বাচন করতে গিয়ে যেসব বিষয় খেয়াল রাখা উচিতঃ
*ট্রেডিং এর জন্য সঠিক চার্ট খুজে বের করাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া উচিত
*অ্যানালাইসিস করার সময় একটি নির্দিষ্ট সময়সীমাকে রেফারেন্স হিসেবে ব্যবহার করা
*সবশেষে অপেক্ষাকৃত ছোট টাইম ফ্রেমে গিয়ে ট্রেড করা

ভিন্ন ভিন্ন টাইম ফ্রেমে পাউন্ড/ডলার:
 নিচে ভিন্ন টাইমফ্রেমে পাউন্ড/ডলারের ৮টি ভিন্ন চার্ট দেয়া হল। ভিন্ন ভিন্ন চার্ট ভিন্ন ভিন্ন সিগন্যাল প্রদান করে।

রেফারেন্স টাইম ফ্রেম সিলেক্ট করাঃ

আপনি স্কাল্পিং করার সময় খুবই ছোট একটা মার্কেট মুভমেন্টের অংশকে টার্গেট করে ট্রেড করছেন। তাই আনাল্যসিস করার সময় যদি আপনি বাৎসরিক চার্ট নিয়ে আনাল্যসিস শুরু করেন তবে তা স্কাল্পিং ট্রেড এন্ট্রি নেওয়ার জন্য উপযুক্ত হবে না। তাই সঠিক টাইম ফ্রেম নির্বাচন করে তাতে আনাল্যসিস করে ট্রেড এন্ট্রি নিতে হবে।

স্কাল্পিং এর জন্য ৭ দিনের ডাটা পর্যাপ্ত। কারন আপনি ৭ দিনের ডাটা আনাল্যসিস করে মোটামটি আপনার ট্রেন্ডের অবস্থা বা দিক ভালমত বুঝতে পারবেন। প্রথমেই রেফারেন্স টাইমফ্রেমে শর্টটার্ম ট্রেন্ড এবং সাপোর্ট-রেসিস্টেন্স খুঁজে বের করুন। আপনার ট্রেড সিগনাল খুঁজে এন্ট্রি নিন।

তাই শুধু শুধু অনেক ডাটা নিয়ে আনাল্যসিস করতে গিয়ে নিজের মাথা গরম না করে একটি নির্দিষ্ট সময়ের ডাটা নিয়ে কাজ করুন, ভাল ফল পাবেন। আমার মতে মিনিট ৩০ টাইম ফ্রেম (M30) স্কাল্পিং আনাল্যসিসের জন্য পারফেক্ট। তবে আপনি ১ ঘন্টার (H1) চার্টও ব্যাবহার করতে পারেন।

নিচে ছবির দিকে খেয়াল করলে আমরা সহজেই ব্যাপারটা বুঝে যাবোঃ



ট্রেড নেয়ার চার্টঃ 

এখন আপনার আনাল্যসিসের পালা শেষ, ট্রেড ওপেন করার পালা। আনাল্যসিস শেষ হওয়ার পর অনেকেই সেই টাইম ফ্রেমেই ট্রেড করা শুরু করে দেয়, যদি ট্রেড খুঁজে পান তাহলে তো ভালই তবে আরও ছোট টাইম ফ্রেমে মুভ করলে ট্রেড নেওয়া আরও সহজ হয়ে যায়।

এইখানে একটি ব্যাপার হল আপনি যদি বেশি পিপস টার্গেট করে ট্রেড এন্ট্রি নিন তবে M30 তেই ট্রেড করুন, কিন্তু ছোট ট্রেড মানে ৬-১০ পিপ্স টার্গেট হলে ছোট টাইম ফ্রেমে যেমন M5 বা M15 এ ট্রেড করলে ভাল। ট্রেড শুরু করার আগেই কিন্তু আপনার সব পরিকল্পনা করে নেওয়া উচিত, কয়টি ট্রেড করবেন? কত রিস্ক নিবেন তা পূর্বেই ঠিক করে রাখুন এতে ট্রেড এন্ট্রি নেওয়ার সময় কনফিউশান কম থাকবে। নিচে একটি চার্টে সাপোর্ট ও রেসিসট্যান্স ড্র করে ট্রেডিং দেখানো হলঃ


স্ক্যাল্পিংয়ের সময় একটা কথা মনে রাখবেন, আবেগের বশবর্তী হয়ে কখনও ট্রেড করবেন না। কি মনে হল তার ওপর ট্রেড না করে অ্যানালাইসিস করে ট্রেড করার চেষ্টা করুন। লাভ-লস ২টাই যাতে পরিমিত হয়, সীমা না ছাড়িয়ে যায়। আপনি যদি পূর্ববর্তী পোস্ট গুলো না পরে থাকেন তবে নিচের লিংকে ঘুরে আসুন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad