স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৫ম পর্ব - BD FX Team

Hot

Post Top Ad

Thursday, March 30, 2017

স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায় - ৫ম পর্ব


যখন ট্রেড নেয়ার প্রশ্ন আসে, তখন স্ক্যাল্পারদের সামনে অনেকগুলো অপশন আসে, যা একজন ট্রেডারকে সহজেই বিভ্রান্ত করে ফেলে। তাই আপনি যেই কারেন্সি পেয়ারগুলোতে ট্রেড করতে চান, সেই পেয়ারগুলোর বর্তমান মার্কেট অবস্থা ভালভাবে যাচাই করে ট্রেডের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। স্ক্যাল্পিং করার সহজ উপায়ের এই পর্বে রেঞ্জ ট্রেডিং সম্পর্কে আলোচনা করা হবে এবং সাপোর্ট-রেসিসট্যান্স বিবেচনা করে কিভাবে ট্রেড নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া যায়।


যেসব বিষয় খেয়াল রাখা জরুরীঃ

*মার্কেট যখন ফ্ল্যাট (নির্দিষ্ট এরিয়ার মধ্যে সমান) থাকে, তখন রেঞ্জ ট্রেডের জন্য উপযুক্ত
*মার্কেটে এন্ট্রির সিদ্ধান্ত নেওয়ার পূর্বে ট্রেডারদের উচিত প্রথমে সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স খুঁজে বার করা
*যতক্ষণ প্রাইস রেঞ্জের মাঝে থাকে ততক্ষণ রেঞ্জ ট্রেড করা সম্ভব

রেঞ্জ স্ক্যাল্পিংঃ

রেঞ্জ ট্রেড করার সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে মার্কেটের সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বের করা। আগের পর্বে দেখানো হয়েছে যে কিভাবে মার্কেট রেঞ্জ বের করা যায়। যদি মার্কেটের অবস্থা বুঝা যায় তখন ট্রেড এন্ট্রি নেওয়া খুব সহজ হয়ে যায়। রেসিস্টেন্স লেভেল থেকে সেল ও সাপোর্ট লেভেল থেকে বাই এন্ট্রি। তবে ট্রেন্ডের মাঝখান থেকে ট্রেড দিলে তা কোন দিকে যাবে বোঝা যায় না, তাই প্রাইস সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্সে গিয়ে বাউন্স করলে ট্রেড এন্ট্রি নিলে ভাল হয়। তাই যতক্ষণ না প্রাইস কোন একদিকে যায় ততক্ষণ ধৈর্য ধরা উচিত।

নিচের ছবিতে এই টেকনিকের কার্যকর রূপ দেখা যাচ্ছে। ক্যামেরিলিয়া পিভট পয়েন্ট দ্বারা সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স নির্ণয় করা হয়েছে। রেসিটেন্সের কাছাকাছি অর্থাৎ ০.৯০৫১ থেকে ডলার/সুইস-ফ্র্যাঙ্ক এ সেল নেওয়া যায়, আর আমরা মানি ম্যানেজমেন্ট সেটাপ অর্থাৎ স্টপ লস পরবর্তী রেসিস্টেন্স “R4” ০.৯০৬৮ এ দেওয়া হয়েছে। আর পেন্ডিং অর্ডার এর ক্ষেত্রেও এভাবে রেসিস্টেন্সে অর্ডার সেট করে রাখা যায়। টার্গেট প্রফিট সাপোর্টে বা তার কাছাকাছি সেট করা উচিত যাতে মনিটর এর সামনে না থাকলেও ট্রেড প্রফিটে ক্লোজ হয়ে যায়। প্রাইস সাপোর্টের কাছে থাকলে তা হবে বাই ট্রেড এন্ট্রি।

USD/CHF এর রেঞ্জ এন্ট্রি ও  টার্গেট

 

অসিলেটর ও রেঞ্জ ট্রেডঃ

অসিলেটরের সাহায্যেও মার্কেটে স্কাল্পিং করা যায় খুব সুন্দর ভাবে। যখন প্রাইস সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্সের কাছাকাছি থাকে তখন MACD, CCI  RSI ইনডিকেটর দিয়ে ওভারবট বা ওভারসোল্ড বুঝে ট্রেড এন্ট্রি নিতে হয়। যেমন প্রাইস এখন সাপোর্টের কাছে ও অসিলেটরে ওভারসোল্ড পজিশনে আছে। তো পাওয়া গেল একটি বাই ট্রেড এন্ট্রি লেভেল।

অসিলেটর দিয়ে ট্রেড করলে ট্রেডার মার্কেটে মোমেন্টাম খুঁজে পান ও ফলস ট্রেড থেকে সতর্ক হওয়া যায়। কিন্তু আমাদের স্টপ লস পরবর্তী সাপোর্ট বা রেসিস্টেন্সে ও টার্গেট প্রফিট ও ট্রেন্ড রেঞ্জ অনুযায়ী হবে।

সিসিআই ও USD/CHF এ রেঞ্জ ট্রেডিং

একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যপার হচ্ছে ট্রেড রেঞ্জ করা যায় ততক্ষণ পর্যন্ত যতক্ষণ সাপোর্ট ও রেসিস্টেন্স বহাল থাকে। যদি ব্রেক আউট দেখা যায় তবে তা নতুন ট্রেন্ডের শুরু হওয়ার লক্ষণ, তখন রেঞ্জ ট্রেডিং বাদ দিয়ে মার্কেট বুঝে উপযুক্ত স্ট্রেটেজি নিয়ে কাজ করতে হবে।

আমার পক্ষ থেকে একটি কথা যে গত পোস্ট গুলো থেকে আমরা যা শিখেছি তা কাজে লাগিয়ে ট্রেড করে কেমন কাজে লাগছে তা শেয়ার করুন।

No comments:

Post a Comment

Post Top Ad